ছন্দ কত প্রকার?
-
ক
চার প্রকার
-
খ
দুই প্রকার
-
গ
তিন প্রকার
-
ঘ
এক প্রকার
ভাষার শ্রুতি মধুর ধ্বনি বিন্যাস এবং বাক্যের পরিনিতিই হল ছন্দ। ছন্দ তিন প্রকার যথা: ক. স্বরবৃত্ত ছন্দ, খ. মাত্রাবৃত্ত ছন্দ ও গ. অক্ষরবৃত্ত ছন্দ।
ছন্দ কাব্যতত্ত্বের একটি পরিভাষা। রবীন্দ্রনাথের মতে, 'কথাকে তার জড়ধর্ম থেকে মুক্তি দেবার জন্যই ছন্দ।' ছন্দ কাব্যে এনে দেয় সংগীতের সুর লহরি। মাত্রা-নিয়মের যে বিচিত্রতায় কাব্যের ইচ্ছাটি বিশেষভাবে ধ্বনি-রূপময় হয়ে উঠে তাকেই ছন্দ বলে।
পঙ্ক্তি:
কবিতার প্রত্যেকটি লাইনকেই ভিন্ন ভিন্ন পঙ্ক্তি হিসেবে ধরা হয়, এতে অর্থের পরিসমাপ্তি ঘটুক আর নাই ঘটুক। যেমন-
'বুলেট ছুঁড়ে বুদ্ধিজীবী ছাত্র মারা
কৃষক বণিক দোকানী আর মজুর মারা
ঝাঁকে ঝাঁকে মানুষ মারা খুবই সহজ।'
- মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান।
(এখানে ৪টি পঙ্ক্তি)
অক্ষর:
বাগযন্ত্রের ক্ষুদ্রতম প্রয়াসে উচ্চারিত ধ্বনি বা শব্দাংশের নাম অক্ষর। যেমন- 'মা' এক অক্ষর বিশিষ্ট শব্দ; 'মামা' দুই অক্ষর বিশিষ্ট শব্দ, কিন্তু 'মাঠ' এক অক্ষর বিশিষ্ট শব্দ, কারণ মাঠ ব্যঞ্জনাত্মক শব্দ এবং তা ভেঙে উচ্চারণ করা যায় না।
মুক্তাক্ষর: স্বরধ্বনি দিয়ে শেষ হওয়া বা স্বরধ্বনি যুক্ত অক্ষরকে মুক্তাক্ষর বলে। যেমন- মামা, বাবা, মারা ইত্যাদি।
বদ্ধাক্ষর: ব্যঞ্জনধ্বনি দিয়ে শেষ হওয়া অক্ষরকে বদ্ধাক্ষর বলে। যেমন- বন, মাঠ, গাছ ইত্যাদি।
ছন্দ:
সংস্কৃত ভাষায় 'ছন্দ' শব্দের অর্থ কাব্যের মাত্রা। কোনো কিছুর মধ্যে পরিমিত ও শৃঙ্খলার সুষম ও যৌক্তিক বিন্যাসকে ছন্দ বলে।
বাংলা ছন্দের প্রকারভেদ:
বাংলা ছন্দ তিন প্রকার। যথা: ১. স্বরবৃত্ত, ২. মাত্রাবৃত্ত, ৩. অক্ষরবৃত্ত।
Related Question
View All-
ক
৩
-
খ
২
-
গ
৪
-
ঘ
৫
-
ক
২
-
খ
৪
-
গ
৩
-
ঘ
৫
-
ক
এক রকমের
-
খ
দুই রকমের
-
গ
তিন রকমের
-
ঘ
চার রকমের
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!